রিয়াজ ওসমানী

১০ মে ২০২১

বাংলাদেশের শ্রেণি বিভক্তি সকল সচেতন নাগরিকদেরকে পীড়া দেয়া উচিৎ। এই বিভক্তির বহিঃপ্রকাশ শুধু টাকার থলির মাধ্যমেই নয়, সাথে মান সন্মান, চলন বলন, বাচনভঙ্গি, দাম্ভিকতা, চেহারা, স্বাস্থ্য, শরীরের ওজন, পোশাক-আশাক, শিক্ষার মান, বাসস্থান, খাদ্যের রুচি, গানের রুচি, সিনেমা-থিয়েটারের রুচি, সব কিছুতেই। কে কোন কর্মের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে সেটার মাধ্যমে এই বিভক্তি সবচেয়ে বেশি নগ্নভাবে ফুঁটে ওঠে। কে কার সাথে মেলামেশা করে সেটাও একটা অলিখিত রীতির মাধ্যমে ফুঁটে ওঠে। উচ্চ অর্থনৈতিক তথা উচ্চ সামাজিক মানুষগণ উপরে উল্লেখিত সুবিধাগুলোর কারণে প্রথাগতভাবে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত জনগণদের চেয়ে নিজেদেরকে আলাদা ভেবে বাকিদেরকে কিছুটা হেয় প্রতিপন্ন করার ক্ষমতা লাভ করে। মধ্যবিত্তরা আবার ঠিক তেমনি নিম্নবিত্তদের। নিম্নবিত্তরা বহু আগেই মেনে নিয়েছে যে তাদের জীবনের মূল্য এবং মর্যাদা উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্তদের চেয়ে কম। মধ্যবিত্তরা নিজেদেরকে নিম্নবিত্তদের চেয়ে আরেকটু মূল্যবান মনে করে হাফ ছেড়ে বাঁচে আর উচ্চবিত্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখে। আর উচ্চবিত্তদের তো মাটিতেই পা পড়ে না (গাড়ি থাকতে পা কেন?)।

এই শ্রেণি বিভক্তির বিকাশের পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে যেগুলো মূল্যায়ন করার চেয়ে সেটা কমিয়ে আনার উপায় খোঁজাটাকে আমি বেশি অর্থবহ মনে করি। মানুষে মানুষে শতভাগ সাম্যতা একটি কল্পনার জগতে পাওয়া যেতে পারে। বাস্তব দুনিয়াতে সেটা সম্ভব নয়। বামপন্থী এমন কি সাম্যবাদ (কমিউনিজম) ভিত্তিক অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থাও সেটা কায়েম করতে সক্ষম হয়নি। আর হবেও না। এর কারণ হচ্ছে যে আমরা সব সময়েই ব্যক্তিগতভাবে এগিয়ে যেতে চাই। দিনের শেষে আমরা নিজেরটাই আগে দেখি। সমাজ, এমনকি পরিবারের ব্যাপারটাও তার পরে বিবেচিত হয়। আমাদের এই প্রবণতা অত্যন্ত প্রাচীণ এবং কার্ল মার্কসের বই হাজারবার পাঠ করেও সেটার পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

তার মানেই কি যে আমরা আমাদের দেশ এবং পৃথিবীর সকল দেশে এরকম আর্থ-সামাজিক বিভেদ চিরকালের জন্য মেনে নেব? এর থেকে কোনো মাপের পরিত্রাণ পাওয়া কি অসম্ভব? বামপন্থী বা বিকল্প অর্থনীতির দিকে না ঝুঁকেও আমরা কি নতুন এক অভিমুখের পানে অগ্রসর হতে পারি না? আমি বাম আদর্শের ভক্ত – মানুষের মাঝে সাম্যতা নামক কাল্পনিক এই বস্তুটির বড় ভক্ত। কিন্তু আমি বাম অর্থনীতির ভক্ত নই। সেটার কৈফিয়ত দর্শানোর চেয়ে আমি কোন জিনিষটার ভক্ত সেটাই না হয় এখন বিশ্লেষণ করি। বাংলাদেশে একটা কল্যানমুখী রাষ্ট্র (welfare state) কায়েম করে আমরা আমাদের মাঝে বিদ্যমান ভেদাবেদটা অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারি। কল্যানমুখী রাষ্ট্র আবার কী?

এই পরিবেশে ব্যক্তিমালিকানাধীন উদ্যোগেই দেশের ধন বা বিত্তের প্রসার ঘটবে কিন্তু প্রগতিশীল কর আদায়, অর্থাৎ বিত্তবানদের কাছ থেকে কর আদায় করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে ধনবান এবং ধনহীনদের মধ্যে দূরত্বটা কমিয়ে আনা যাবে। কল্যাণমূলক কর্মসূচির উদাহরণ হচ্ছে বৃদ্ধদের জন্য ভাতা, বিধবাদের জন্য ভাতা, দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষদের জন্য বিশেষ কিছু সুবিধা, বয়স এবং যোগ্যতা বুঝে বেকারদের ভাতা ইত্যাদি। এরকম আরও উদাহরণ বাংলাদেশে পাওয়া যাবে। বর্তমান এবং বিগত সকল সরকারই এরকম কর্মসূচি কম বা বেশি চালিয়ে এসেছে বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যকে সামনে রেখে।

তো এই রূপরেখা অবলম্বন করেই কি আমরা জনগণের মাঝেকার আর্থ-সামাজিক বিভেদটা যথেষ্টভাবে কমিয়ে আনতে সক্ষম হব? অবশ্যই না। সেটার জন্য দরকার কিছু বলিষ্ঠ রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পুণর্গঠন। আপনারা খেয়াল করবেন যে বাংলাদেশের বহুমুখী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত আমাদের মাঝে বিভাজনের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দুটি বাংলাদেশে ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়েছে। যার অঢেল সম্পদ আছে সেই ভালো চিকিৎসা পেতে পারে। নিম্নবিত্তের মানুষ আহার করবে না কি ওষুধ কিনবে সেই চিন্তায় নিমগ্ন। ইংরেজি মাধ্যম, আরবি মাধ্যম আর বাংলা মাধ্যম বাংলাদেশে একটি বিশ্রী বিভাজনের সৃষ্টি করেছে যার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাবেন তরুণ-তরুণীদের বাচনভঙ্গি আর চলন বলনের মাঝেই। দেশকে তিন ভাগে ভাগ করে ফেলার এর চেয়ে ভালো রূপরেখা আর নেই।

একটি দুর্নীতিপরায়ণ দেশে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে একটি সর্বাঙ্গীণ চিকিৎসা ব্যবস্থা স্থাপন করা যায় কিনা সেই ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যেখানেই বিনামূল্যে কিছু একটা সরবরাহ করা হবে সেখানেই চুরির সুযোগ থাকবে। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদলে বাংলাদেশের সকলকে বেসরকারি স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনা যেতে পারে। সকলের জন্য বীমা থাকাটা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং সেটা তখনই সম্ভব হবে যখন বাংলাদেশ সরকার নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের বীমার মাসিক কিস্তি প্রদানের দায়িত্বটা নিতে পারবে। বেসরকারি বীমা সংস্থাগুলো প্রতিযোগিতামূলক একটি ভুবনে বিভিন্ন বেসরকারি ডাক্তার ও বেসরকারি হাসপাতাল মারফত জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দিবে। বীমার আওতায় মানুষ বিনামূল্যে সকল ওষুধ কিনতে পারবে। সকল রকমের অস্ত্রোপ্রচার এই সকল বীমার আওতায় আসবে যাতে কোনো রোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য কোনো অর্থ ব্যয় করতে না হয়। খেয়াল করবেন যে যুক্তরাজ্যের মতো করে আমি একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং সরকারি স্বাস্থ্য সেবার পক্ষপাতী নই। এবং এর কারণ বাংলাদেশের দূর্নীতি।

স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার। এবং সেটার লভ্যতা একটি মানুষের টাকার থলির আয়তনের উপর নির্ভর করতে পারে না। বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ যদি নিশ্চিত থাকতে পারে যে তারা সকলেই প্রয়োজন অনুসারে সমানভাবে স্বাস্থ্য সেবার দ্বারস্থ হতে পারবে, তাহলে মানসিকভাবে সকলের মাঝেই এক প্রকার স্বস্তি, শান্তি ও সাম্যতা প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। পশ্চিমা ইউরোপে মানুষের জীবন ধারার ব্যবধান আমাদের দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম হওয়ার এটা একটা বড় কারণ।

এবার আসি শিক্ষার প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের কোনো কোনো শিশু বাংলা ছড়া বা গল্প পড়ছে, কোনো কোনো শিশু ইংরেজিতে টুইঙ্কল টুইঙ্কল পড়ছে, আবার কোনো কোনো শিশু আরবি ভাষার আলিফ বা তা সা পড়ছে, এটাকে প্রাথমিক স্তরে খুব একটা বেখাপ্পা মনে না হলেও এই চিত্রটিই যখন আরো কয়েক বছর পর অবলোকন করছেন তখন কী দেখতে পারছেন? বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন তিন ধারার ও তিন রকমের মানসিকতার ছাত্রছাত্রীর চাষ করেনি? আপনারা খেয়াল করেননি ইংরেজি মাধ্যমের তরুণ-তরুণীদের মাঝে নিজের দেশ, সমাজ, ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে জ্ঞান ও সচেতনতার কতটা অভাব? আপনারা খেয়াল করেননি মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্ররা আরবি, ফারসি, উর্দু এবং ইসলামি জ্ঞান সম্বন্ধে কিছুটা পারদর্শী হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, চেতনা ও বাঙালিয়ানা সম্বন্ধে কতটা অজ্ঞ এবং উদাসীন? এরাই যখন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে দেশ ও সমাজের হাল ধরবে তখন এদের এবং বাংলা মাধ্যম থেকে বের হয়ে আসা মানুষদের মাঝে মিল মহব্বত বলতে কিছু আশা করেন কি? এবার আমি একটু গোড়ার দিকেই দৃষ্টিপাত করতে চাই।

বাংলাদেশ এখনো একটি একমুখী শিক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছাতে পারেনি এবং এর ফলাফল হচ্ছে একটি শ্রেনিবিভক্ত ও সমন্বয়হীন জনগোষ্ঠী। এই একমুখী শিক্ষার তাৎপর্য সম্বন্ধে সবাই সচেতনও নয়। কিন্তু এই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার অভাব বাংলাদেশের বিভাজনের একটা বড় কারণ। ছোট উদাহরণ স্বরূপ উল্লেখ করা যায় যে ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীদের “ক্ষ্যাত” মনে করে। ইংরেজি এবং বাংলা উভয় মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা আবার মাদ্রাসা ছাত্রদের হেয় প্রতিপন্ন করে। উপরন্তু, একটি ভ্রান্ত ধারণা থেকে বাংলা মাধ্যমের ছাত্ররা দিবা স্বপ্ন দেখে তারা যদি ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে পারতো! এই প্রহসনের জন্য আমরা সবাই দায়ী। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে যেই জাতিটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে পেরেছে সেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবস্থা হবে কেন? ইংরেজি ও আরবি মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের নামে বাংলাদেশে ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়েছে কেন?

কোন শিশু কোন ধরণের শিক্ষা পাবে তা অনেকাংশে নির্ধারণ করে দিচ্ছে তার অভিভাবকের টাকার থলির আয়তন। সেটাই আবার এই কৃত্রিম স্তরের পাহারটির হালচাষে অবদান রাখছে। ধর্ম শিক্ষার জন্য যে মাদ্রাসার প্রয়োজন, সেই যুক্তি এখন খোঁড়া যুক্তি। মাদ্রাসা শিক্ষা একটা ব্যবসা যার মাধ্যমে হুজুর এবং ইমামরা তাদের আয় রোজগার নিশ্চিত করে থাকে। ধর্ম শিক্ষা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঘরের ভেতর সম্ভব এবং সেটা সকল ধর্মের অনুসারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ইংরেজি শেখার জন্য একটা ভিন দেশের পাঠ্যক্রম অনুসরণ করতে হবে না, চার্লস ডিকেন্স পড়া লাগবে না। এখানেও ব্যবসা চলছে নির্লজ্জভাবে।

একটা স্বাধীন এবং ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের শিক্ষার রূপ হওয়া উচিৎ সকল স্তরে বাংলা মাধ্যমে একটি একমুখী, ধর্মনিরপেক্ষ, বাংলা সাহিত্য ও সংষ্কৃতিমনা, উদারপন্থী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগর ভিত্তিক, মুখস্তবিদ্যা বিহীন, চিন্তাশীল, যুক্ততর্কমণ্ডিত, গবেষণা ভিত্তিক, অনুসন্ধিৎসু শিক্ষা ব্যবস্থা যা হবে সকলের জন্য সমানভাবে লভ্য। এখানে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে আধুনিক কায়দা অবলম্বন করে সবাইকে ইংরেজিটাও শিখিয়ে দেয়া হবে। এই শিক্ষা ব্যবস্থাটিকে সবার জন্য সমানভাবে লভ্য কীভাবে করা হবে সেটা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে যেটাকে আমি সাদরে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আগেই বলেছি যে একটি দূর্নীতিপরায়ণ দেশে সরকার কতৃক এবং বিনামূল্যে প্রদিত সব কিছুতেই চুরির পথ খোলা। তাই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলোতে প্রচলিত ব্যবস্থা আমাদের দেশে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নাও হতে পারে। আমার মতে সকলের জন্য উন্নতমানের সরকারি এবং বিনামূল্যে প্রথম শ্রেণি থেকে স্নাকতোত্তর পর্যন্ত শিক্ষাই হচ্ছে আদর্শ। কিন্তু সেটা সম্ভব না হলে অন্য উপায়েও যদি এই একমুখী শিক্ষাকে সকলের জন্য সমানভাবে লভ্য করা যায় তো তাতেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।

তবে যেভাবেই এই শিক্ষা সকলের জন্য লভ্য করা হউক না কেন, বিপুল সরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সেটাকে আগে খাড়া করে তুলতে হবে। তারপরে ইংরেজি ও আরবি মাধ্যমের ব্যবসাগুলো এমনিতেই লুপ্ত হয়ে যাবে ছাত্রছাত্রীদের অভাবে। তখন আর সেগুলোকে নিষিদ্ধ করার প্রশ্ন উঠবে না। আর এই ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ব্যবসাগুলোকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে আমি নই। সেখানে পড়া বর্তমান ছাত্ররা যাবে কোথায়?

বাংলাদেশের সংবিধানের চার মূলমন্ত্রের মধ্যে দুটো হচ্ছে সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। সংবিধানে এই দুটোরই উপস্থিতি এখন হাস্যরসের রূপ নিয়েছে। তবে সমাজতন্ত্র বলতে বাম অর্থনীতি না বুঝে অন্য উপায়ে মানুষের মাঝে সাম্যতা আনাকে বুঝে নেয়া যায়। স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত বা সেই ধরণের বিল্পব আনতে পারলে সেই মূলমন্ত্রের প্রতি কিছুটা হলেও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা সম্ভব। আর ধর্মনিরপেক্ষতা নামক মূলমন্ত্রের প্রতি আনুগত্যটি একটি রাজনৈতিক ব্যাপার যেটা এই লেখাটির বিষয়বস্তু না। তবে প্রস্তাবিত একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাটি অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে। এবং এর সাথে এও মেনে নিতে হবে যে হেফাজত জাতীয় গোত্রের অনুরোধে পাঠ্যপুস্তকগুলোকে কালিমালিপ্ত করা যাবে না। বাংলাদেশে তাদের চালিত কওমি মাদ্রাসাগুলোরও কোন স্থান থাকতে পারবে না।

*********************

One thought on “বাংলাদেশে মানুষে মানুষে সাম্যতা

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s