৫ জানুয়ারী ২০২১

প্রস্তাবনায়ঃ সেন্টার ফর সেইফটি অফ মাদ্রাসা স্টুডেন্টস (সি এস এম এস)

১) মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষা বন্ধ করতে হবে।

২) ১২ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নারী শিক্ষক দ্বারা পাঠদান বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩) আরবি ও কোরআন-হাদিসের পাশাপাশি সকল সাধারণ পাঠ্যক্রম পাঠ্যতালিকায় রাখতে হবে।

৪) প্রতিটি কওমি মাদ্রাসাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করতে হবে।

৫) প্রতিটি মাদ্রাসাতে একজন নিয়মিত চিকিৎসক থাকতে হবে।

৬) কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে তাকে সাথে সাথে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে এবং অভিভাবক ও নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে। অন্যথায় মাদ্রাসা কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

৭) কোনো শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক অথবা বড় ছাত্র তাদের ব্যক্তিগত কোনো খেদমতের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না।

৮) বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বনভোজনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৯) দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষার্থীদেরকে স্বাধীনভাবে খেলাধুলা করার ব্যবস্থা রাখতে হবে – গান শোনা, টিভি দেখা, বেতার শোনা ও সঙ্গীত চর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে – দেশের ভেতর লভ্য এবং অনুমোদিত সকল ওয়েব পাতা প্রদর্শন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

১০) ১৮ বছরের নিচে কোনো শিক্ষার্থীকে কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ, মিটিং, মিছিল ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠানে নেয়া যাবে না।

১১) মাদ্রাসা কতৃপক্ষের অবহেলায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর অপমৃত্যু হয় তবে সমস্ত দায় কতৃপক্ষকে নিতে হবে এবং ঐ শিক্ষার্থীর পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

১২) মাসে একবার আবাসিক শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

১৩) প্রতিটি মাদ্রাসাতে একজন করে মনো-উপদেষ্টা থাকতে হবে, যিনি মাদ্রাসার কোন প্রকার লাভ বা ক্ষতির সাথে জড়িত থাকবেন না। তিনি শহরের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগে ইন্টার্নশীপ (প্রশিক্ষণ জাতীয় কর্ম) করেছেন এমন কেউ হতে পারেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের সাথে বসে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন এবং সমাধানের ব্যবস্থা করতে পারবেন।

১৪) মাদ্রাসাগুলোতে প্রতিটি গোসলখানা এবং শৌচাগারের দরজায় সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে, যাতে সেই জায়গাগুলোতে দুজন মানুষ এক সাথে প্রবেশ করতে না পারে।

১৫) একটি কক্ষের কোনো জায়গা সিসি ক্যামেরার আওতায় না থাকলে সেখানে কোনো শিক্ষক বসতে বা শুতে পারবে না।

১৬) মাদ্রাসাকে এতিমখানা করা যাবে না। মাদ্রাসার সাথে এতিমখানার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা থাকতে পারবে না।

১৭) এতিমদের জন্য প্রতিটি থানায় আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র অথবা এতিমখানা করতে হবে, যাতে করে এতিমদের পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু ধর্ম-ব্যবসায়ীরা পাড়া-মহল্লায়, আনাচে-কানাচে ধর্ম-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসতে না পারে, এবং এতিম বাচ্চাগুলোকে সামাজিক বৈষম্যের শিকার হতে না হয়।

১৮) নারীদের মাদ্রাসাগুলোতে পুরুষ মুহতামিম থাকতে পারবে না।

১৯) ১৮ বছরের নিচে ছেলে শিক্ষার্থীদেরকে নারীদের হায়েজ-নেফাস (মাসিক) সহ মেয়েলী মাসআলা-মাসায়েল (ইসলামি বিধি-বিধান) এর শিক্ষা দেওয়া যাবে না।

২০) প্রায় প্রতিটি মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার্থীদের পোশাক কৃত্রিম কাপড়ের হয় এবং এতে করে দিনে অনেকটা সময় তাদের আপাদমস্তক অস্বস্তিকর পোশাকে ঢাকা থাকে। এতে তাদের বিভিন্ন চর্ম সমস্যা দেখা দেয়। তাই সকল শিক্ষার্থীদেরকে আনুষ্ঠানিক পোশাক হিসেবে আরামদায়ক সুতির পোশাক দিতে হবে।

*************

সংশ্লিষ্ট তহবিল সংগ্রহের সংযুক্তিঃ GoFundMe

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s